মুবাশশির আলম রাহুল, জামালপুর প্রতিনিধিঃ
রমজান উপলক্ষে মাসের বাজার করতে ব্যস্ত জনগণ কিন্তু বাজারে গিয়ে তেল কিনতে হচ্ছে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি টাকায় ৷
জামালপুর জেলার বিভিন্ন ছোট বড় বাজারে গিয়ে দেখা যায় বাজারে পাওয়া যাচ্ছে না ২ লিটার এবং পাঁচ লিটার সয়াবিন তেলের বোতল বোতল সংকটের কারণে খুবই অল্প পরিমাণের তেল পাওয়া গেলেও নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি টাকায় বিক্রি হচ্ছে সয়াবিন তেল প্রতি ২ লিটার বোতলের দাম (সুপার) ৩৪৬ টাকা হলেও কিনতে হচ্ছে ৩৭৫ টাকায় প্রতি ৫ লিটার বোতলের দাম ৮৫২ কিনতে হচ্ছে ৮৯০ টাকায়
আর লুস তেল কিনতে হচ্ছে প্রতি কেজি ২১০ টাকায়৷
এ বিষয়ে বাজারে ক্রেতারা বলেন রমজান মাসে অন্যান্য সময়ের থেকে তেলের ব্যবহার বেশি হয় কারণ ইফতারি তৈরি করতে যেমন (বেগুনি, পিয়াজু, জিলাপি, নিমকি, চপ) এবং আরো অনেক কিছু তৈরি করতে হয় যার কারণে অধিক পরিমাণে তেল ব্যবহৃত হয় কিন্তু বাজারে তেল না পেয়ে এবং দাম বৃদ্ধির জন্য ভোগান্তি হচ্ছে তাদের ৷
এ বিষয়ে বাজারে ব্যবসায়ীরা জানান তারা পরিমাণ মতো তেলের ২ লিটার এবং ৫ লিটার বোতল পাচ্ছেন না যাও লুজ তেল পাচ্ছেন তা কিনতে হচ্ছে বেশি টাকা দিয়ে এবং তারা আরো জানান বাজারে তেলের অনেক সংকট ৷
এদিকে রমজান সামনে রেখে অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেছে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন সংস্থাটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বছরে দেশে ভোজ্যতেলের চাহিদা ২৩ থেকে ২৪ লাখ টন এর মধ্যে রমজানে চাহিদা ৩ লাখ টন। দেশে গত বছরের ১ জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি আমদানি হয়েছে ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৫৪৮ টন এছাড়া দেশে উৎপাদন করা হয় ২ লাখ ৫০ হাজার টন আর আমদানি পর্যায়ে এখনো পাইপলাইনে আছে ৮ লাখ ১২ হাজার ৫৬৫ টন ৷
তবুও বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেল অনুপস্থিত এই অদ্ভুত পরিস্থিতির পেছনে কি কোন সিন্ডিকেটের হাত রয়েছে, যারা সরকারের দাম বাড়ানোর সুযোগ গ্রহণ করে বাজারে সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছেন নাকি ব্যবসায়ীরাই তেলে অধিক মুনাফার লাভ করার জন্য স্টক করে রেখেছেন ৷