আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেন যুদ্ধের সমাপ্তি নিয়ে আলোচনার ক্ষেত্রে ভলোদিমির জেলেনস্কিকে প্রেসিডেন্ট পদ থেকে অপসারণের আহ্বান জানিয়েছেন এবং দেশটিতে ‘সাময়িক শাসনব্যবস্থা’ কায়েমের প্রস্তাব দিয়েছেন।
পাশাপাশি পুতিন তার সেনাবাহিনীকে ‘সব ইউক্রেনীয় সেনাদের সম্পূর্ণরূপে নির্মূল করার’ও নির্দেশ দিয়েছেন। কারণ তিনি মনে করেন, রাশিয়া এখন যুদ্ধক্ষেত্রে এবং আলোচনার টেবিলে পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
এদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্পের পুনরাগমন এবং তার প্রশাসনের কিয়েভকে সহায়তা বন্ধ করার হুমকি রাশিয়াকে আরও আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে। পুতিন সরাসরি বলেছেন, জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে ইউক্রেনে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় দেশ এবং মিত্রদের সঙ্গে আলোচনা করা যেতে পারে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘আমরা অবশ্যই তাদের (ইউক্রেনীয় বাহিনী) শেষ করে দেবো। আমাদের সামরিক লক্ষ্যগুলো এখন ধীরে হলেও ধারাবাহিকভাবে অর্জিত হচ্ছে’। পুতিন উল্লেখ করেন, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এমন দৃষ্টান্ত রয়েছে। যেখানে জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে পূর্ব তিমুর, নিউ গিনি এবং সাবেক যুগোস্লাভিয়ার কিছু অংশে বাহ্যিক শাসন ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল। তার মতে, একটি বিশ্বস্ত সরকার প্রতিষ্ঠার পরই ইউক্রেনের সাথে একটি টেকসই শান্তিচুক্তি সম্ভব হবে।
এদিকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্সির চিফ অব স্টাফ আন্দ্রি ইয়ারমাক বলেছেন, ‘রাশিয়া শান্তি প্রতিষ্ঠার পথকে নস্যাৎ করতে চাচ্ছে এবং যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে’। এই নতুন পরিস্থিতিতে ইউক্রেন যুদ্ধ আরও দীর্ঘায়িত হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। যেখানে মস্কো সামরিকভাবে শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে এবং পশ্চিমা বিশ্ব বিভক্ত অবস্থায় পড়েছে।