মোহাম্মদ নয়ন চৌধুরী, ভোলা প্রতিনিধিঃ
ভোলায় বিএনপি নেতা জামাল হাওলাদারের হত্যার প্রতিবাদ সভায় হামলা করে অত্যান্ত ২০ জনকে আহত করার অভিযোগ উঠেছে৷ এদের মধ্যে দুইজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্য আহতদেরকে বিভিন্ন যায়গায় প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে৷ গুরুতর আহত দুইজন হচ্ছেন মোহাম্মদ রায়হান ও মহিবুল্লাহ। আহত সকলে সদর উপজেলার ভেলুমিয়া ইউনিয়ন বিএনপি ও সহযোগী দলের নেতাকর্মী৷
ভেলুমিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি শাজাহান বাদশার ছেলে হাসনাইন আহমেদ বলেন, ভেলুমিয়া ১নং ওয়ার্ড সভাপতি জামাল হাওলাদার স্থানীয় আওয়ামী সন্ত্রাসীদের দ্বারা হত্যার শিকার হন। তার বিচারের দাবিতে বৃহস্পতিবার (৩ই এপ্রিল) সন্ধ্যার দিকে ভেলুমিয়া ইউনিয়ন বিএনপির নেতাকর্মীরা প্রতিবাদ সভা করে। সভার শেষের দিকে হঠাৎ তাদের উপর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইউনূস কমান্ডারের নেতৃত্বে অতর্কিত হামলা করা হয়। ইউনূস কমান্ডারের নেতৃত্বে হামলায় অংশ নেয়, নিল খাঁন, নিবির খান, সোহাগ গাজী, টিপু খান, খোকন গাজীসহ অত্যান্ত ৩০/৪০ জনের একটি দল। তাদের প্রত্যকে দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে এই হামলা চালায়। হামলায় মোহাম্মদ রায়হান ও মহিবুল্লাহসহ প্রায় ২০জন গুরুতর আহত হয়।
এছাড়াও তিনি আরো বলেন, আওয়ামী নেতাকর্মীদের সেইফগার্ড হিসেবে কাজ করে মূল ধারার বিএনপি নেতাকর্মীদের নিধন মিশনে নেমেছেন ইউনূস কমান্ডার। বিএনপি নেতা জামাল হাওলাদারের হত্যার পিছনে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের পিছনে ইন্দনদাতা হিসেবে ইউনূস কমান্ডার থাকার অভিযোগ থাকলেও আজকের ঘটনায় তা পরিষ্কার। আমরা জামাল হাওলাদারের হত্যার পিছনে জড়িত সকল আসামীদের দ্রুত গ্রেফতার ও আজকের ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানাই৷
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি ইউনূস কমান্ডারের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তাকে পাওয়া যায়নি ফলে বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি৷
ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহাদাত হাসনাইন পারভেজ জানান, ঘটনা শুনে আহতদের হাসপাতালে দেখতে গিয়েছি। অভিযোগের আলোকে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে৷